বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ অক্টোবর ২০১৭

অর্জন

  • মৎস্য সেক্টর উন্নয়নে কর্পোরেশনের অবদান

  • বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন FAO এর সহযোগিতায় বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সম্পদের উপর ১৯৬৬ হতে ১৯৭২ সন পর্যন্ত প্রথমবারের মত পূর্ণাঙ্গ গবেষণা সম্পন্ন করে। এতে বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সম্পদের জরীপ, মৎস্য আহরণ ক্ষেত্রের অবস্থান নির্ণয়, বাণিজ্যিক প্রজাতির মাছ সনাক্তকরণসহ মৎস্য সম্পর্কীয় মৌলিক পরিসংখ্যান সংগ্রহ ইত্যাদি কাজ সম্পন্ন হয়। এ গবেষণায় নিম্নোক্ত ৪টি বাণিজ্যিক মৎস্য আহরণ ক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়:
  •           ১) সাউথ প্যাচেজ।

              ২) এলিফ্যান্ট পয়েন্ট।

              ৩) ইষ্ট অব সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।

              ৪) সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।

               এ জরিপে তথ্যের ভিত্তিতে বংঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ করা হচ্ছে ।

  • ট্রলার বহর পরিচালনায় আনুষঙ্গিক ও শোর (Shore) ভিত্তিক সুবিধাদি প্রদানের লক্ষ্যে কর্পোরেশন ১৯৭০ সালে চট্টগ্রামে দেশের একমাত্র মৎস্য বন্দর প্রতিষ্ঠা করে। একইসাথে ট্রলার ও অন্যান্য নৌযান মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আধুনিক মেরিন ওয়ার্কশপ স্থাপন করে সরকারী ও বেসরকারী সেক্টরে সেবা প্রদান করে আসছে।
  • ১৯৭২ সনে সোভিয়েত রাশিয়া কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে উপহার হিসেবে প্রদত্ত ১০টি সমুদ্রগামী ট্রলারের সাহায্যে কর্পোরেশন বঙ্গোপসাগরে প্রথমবারের মত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মৎস্য আহরণ শুরু করে।
  • ছোট ছোট কাঠের পাল তোলা দেশীয় নৌকা যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে উপকূলীয় ও গভীর সমুদ্রে মৎস্য শিকারের গোড়াপত্তন করে। একই সাথে জেলে গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করে তাদেরকে মাছ ধরার জন্য কর্পোরেশন কর্তৃক ৭২২টি  আধুনিক যান্ত্রিক নৌকা, জাল, ১৩০০টি ইঞ্জিন ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
  • কর্পোরেশন  সর্বপ্রথম ট্রলার দিয়ে ধরা সামুদ্রিক মাছ ঢাকা মহানগরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাজারজাতকরণ শুরু করে। পর্যায়ক্রমে ঢাকা মহানগর ও অন্যান্য স্থানে সামুদ্রিক মাছ জনপ্রিয়তা লাভ করে।
  • কর্পোরেশন ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা এলাকায় স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চিংড়ি/মাছ প্রক্রিয়াকজাতরণের আধুনিক কারখানা স্থাপন করে বেসরকারী মৎস্য রপ্তানীকারকদের সেবা প্রদান শুরু করে।
  • দেশে প্রথমবারের মত কার্পাস সূতার জালের পরিবর্তে কর্পোরেশন নাইলন সূতার জাল প্রচলন করে এবং তিনটি জাল কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে এ শিল্পের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
  • মাছের গুণগতমান সংরক্ষণের জন্য বরফের ব্যবহার নিশ্চিত করণার্থে কর্পোরেশন প্রথম থেকে দেশের দূর্গম অঞ্চলে ফিশিং গ্রাউন্ডের নিকটবর্তী স্থানে বরফকল ও আধুনিক মৎস্য অবতরণ ইউনিট ও পাইকারী মৎস্য বাজার প্রতিষ্ঠা করে।
  • সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে দক্ষ জনবল গড়ে তোলার জন্য সোভিয়েত রাশিয়ার সহায়তায় কর্পোরেশন ১৯৭৩ সনে চট্টগ্রামে মেরিন ফিশারিজ একাডেমী স্থাপন করে। বর্তমানে এ একাডেমী মন্ত্রনালয়ের অধীনে সরকারের রাজস্ব বাজেটের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় মৎস্য মেলা ২০১৭, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয়ের উপস্থিতিতে বিএফডিসি’র চেয়ারম্যান মহোদয় বক্তব্য রাখেন।  

কেন্দ্রীয় মৎস্য মেলা ২০১৭ এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও বিএফডিসি’র চেয়ারম্যান জনাব দিলদার আহমদ বিএফডিসি’র ষ্টল পরিদর্শন করেন।                                                                                                                                                                                                                          


Share with :

Facebook Facebook