বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ অক্টোবর ২০১৭

চট্রগ্রাম মৎস্য বন্দর

১৯৭০-৭২ সময়ে ৫.৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২১.৪৩ একর জমিতে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরে ইউনিটটি স্থাপন করা হয়। বর্তমানে এ ইউনিটে নিম্নোক্ত সুবিধাদি বিদ্যমান আছে।

 

  • হিমাগার (৩৫০ টন ক্ষমতা) - ১টি
  •  ফ্রিজিং স্টোর (৫০ টন ক্ষমতা) - ৪টি
  •  প্লেট ফ্রিজার (২৪০ কেজি/দৈনিক) - ১টি
  •  ব্লাস্ট ফ্রিজার (৫ ও ৩ টন ক্ষমতা) - ২টি
  •  বেসিন (২০ একর) - ১টি
  •  অকশন হল  - ১টি
  •  মেরিন ওয়ার্কশপ - ১টি                
  •  ডকইয়ার্ড  - ২টি
  •  জেনারেটর (৭৫০ কে ভি এ) -১টি

উল্লেখ্য যে, ১৯৭২ সালের বাস্তবায়িত ট্রলার বহর ইউনিটে বর্তমানে মোট ৯টি ট্রলারের মধ্যে ৫টি ট্রলার ভাড়ায় এবং ৩টি ট্রলার অকেজো অবস্থায় আছে। এছাড়া ১টি ট্রলার scrap ঘোষণা করা হয়েছে। এ ইউনিটের কার্যক্রম না থাকায় মৎস্য বন্দর ইউনিটে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। মৎস্য বন্দরের অনুমোদিত জনবল ২২৭ জন। বর্তমানে নিয়মিত ৬৬ জন জনবল দ্বারা ইউনিটটি লাভজনকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিটের কাযক্রম পরিচালনার স্বার্থে প্রয়োজন অনুসারে দৈনিক ভিত্তিক লোক নিয়োগ করা হয়ে থাকে।   

              

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ  

       এ বন্দরে বর্তমানে মাল্টি চ্যানেল স্লিপওয়ে নির্মাণ শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন আছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বছরে কমপক্ষে ৪৮টি ট্রলার/জাহাজ ডকিং-আনডকিং ও মেরামত এবং পন্টুন, জেটি নির্মাণ সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হবে। এছাড়া মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানাটি BMRE করণের পুনর্গঠিত ডিপিপি ১৫/১২/২০১৫ তারিখে মন্ত্রনালয়ে পেশ করা হয়েছে। এ দ্বারা মৎস্য বন্দরের আয় ভবিষ্যতে বৃদ্ধি পাবে।


Share with :

Facebook Facebook